বাংলাদেশের নৃশংস ভাবে সংখ্যালঘু যুবক হত্যার প্রতিবিদে উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে পশ্চিমবঙ্গে মোমবাতি মিছিল--
বঙ্গদর্পণ : বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যুবক দিপু দাস-কে নৃশংস ভাবে হত্যা কারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির দাবিতে "মাইনরিটি রিলিফ সোসাইটির" উদ্যোগে রাজারহাট-নিউটাউনে মোমবাতি মিছিল অনুষ্ঠিত হলো। এদিনের এই মোমবাতি মিছিলে হাজার হাজার মানুষ পা-মেলান। মোমবাতি মিছিলের নেতৃত্ব দেন মাইনরিটি রিলিফ সোসাইটির চেয়ারম্যান ডঃ কবির আহমেদ ও সভাপতি হাজী সাহাজান আলী । উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ ইমাম-মোয়াজ্জিন সমিতির রাজ্য সম্পাদক এবং মাইনরিটি রিলিফ সোসাইটির সম্পাদক সমাজসেবী হাফেজ আজিজ উদ্দিন, ইমাম-উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা শোহরাব উদ্দিন, "এসো-কোরআনী পরিবার"- এর ডাইরেক্টর হাফেজ মাওলানা আফাজ উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজসেবী আক্রাম মোল্লা, সত্যপ্রকাশ, বিপ্লব কর, হাজী হামিদুল ইসলাম, মাওলানা খালিদ হোসেন সহ প্রমুখ । হাফেজ আজিজ উদ্দিন,হাজী সাহাজান আলি,ডাঃ কবির আহমেদ -তাদের বক্তব্যে বলেন পৃথিবীর সমস্ত দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের মানুষের মানবিক দায়িত্ব হলো সংশ্লিষ্ট দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত করা। ১৯৯২ সালের ১৮-ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ঘোষিত বিশ্ব সংখ্যালঘু অধিকার সংক্রান্ত আইনের মূল সারসংক্ষেপ এটি। তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ আমাদের প্রতিবেশী দেশ তাই, সে-দেশের নিরিহ সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হবে আর আমরা চুপচাপ বসে থাকবো এটা হতে পারে না । মাইনরিটি রিলিফ সোসাইটির পক্ষ থেকে বিদেশমন্ত্রীর কাছে দাবি করা হয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী যেন অবিলম্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত-কে তলব করে দিপু দাসের হত্যা কারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির বিষয়ে চরম বার্তা দেয়। একই ভাবে হাফেজ আজিজ উদ্দিন,ডাঃ কবির আহমেদ ও হাজী সাহাজান বলেন, আমাদের পবিত্র মাতৃভূমি ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি কখনো আফরাজুল-কে, কখনো তবরেজ আনসারী সহ বিভিন্ন নিরাপরাদ সংখ্যালঘুদের নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে, অথছ এখনও পর্যন্ত সেই সব নরপশুদের দৃষ্টান্ত মূলক কোনো শাস্তি হলো না কেন সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার-কে জবাব দিতে হবে বলে জানান । খুনিদের কোনো জাত হয়না, খুনিদের এমন ভাবে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে যাতে পরবর্তীতে এমন অপরাধ করতে গেলে অপরাধীদের স্মরণে আসে- অপরাধীর শাস্তি কি হতে পারে !!