সম্পাদকীয়: খতিব মহিবুল্লাহর ‘অপহরণ নাটক’ — ধর্ম ও নৈতিকতার দিকে একটি সতর্কবার্তা
বাংলাদেশের গাজীপুরের খতিব মুফতি মহিবুল্লাহর নিখোঁজ হওয়া এবং পরে ‘শিকলবন্দি’ অবস্থায় উদ্ধার হওয়া প্রথমে সে দেশজুড়ে শোক ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। তবে তদন্ত ও আদালতের জবানবন্দি স্পষ্ট করেছে, এটি কোনো অপহরণ নয়, বরং তার নিজের পরিকল্পিত নাটক।
এই ঘটনার কারণে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় এবং এমনকি বাংলাদেশের ইসকন সম্প্রদায়কেও দোষারোপ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ইসলাম মিথ্যা বা বিভ্রান্তি ছড়ানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করে। হাদীসে বলা হয়েছে, “যে ধোকা দেয়, সে আমার আদর্শভূক্ত ব্যক্তি নয়।”
একজন আলেমের দায়িত্ব সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। মানসিক চাপ থাকলেও মিথ্যা নাটক রচনা করা ধর্মীয় ও সামাজিক দিক থেকে অগ্রহণযোগ্য। সমাজকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে এবং আস্থা পুনঃস্থাপন করতে নৈতিক জবাবদিহিতা অপরিহার্য।
সত্যের পথে ফিরে আসাই এখন সবচেয়ে বড় কর্তব্য।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন অত্যাচারিত হলে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে এ পারে ও তার প্রভাব প্রতিফলিত হয়। এক উম্মাহ হিসাবে বাংলাদেশের সচেতন মুসলিমদের এই বিষয়ে সজাগ থাকা উচিত।