গাজায় ভাড়া বাসা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে, বাড়ছে কঠোর শর্ত ও ভাড়া
যুদ্ধ ও ধ্বংসের মধ্যেই মাথা গোঁজার জায়গা খুঁজে পাওয়া গাজাবাসীদের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ভাড়া বাসা নিতে গিয়ে তাদের পড়তে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া ও নানা কঠোর শর্তের মুখে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও মধ্যস্থতাকারীদের বরাতে জানা গেছে, অনেক বাড়িওয়ালা এখন বড় পরিবারকে ঘর ভাড়া দিতে অনিচ্ছুক। ছয় জনের বেশি সদস্য থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই আবেদন বাতিল করা হচ্ছে। একইভাবে সাংবাদিক, চিকিৎসক বা জরুরি সেবায় যুক্ত ব্যক্তিদেরও ভাড়া দিতে অনেকেই ভয় পাচ্ছেন, কারণ তারা হামলার ঝুঁকিতে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অনেক জায়গায় বাড়িওয়ালারা ভাড়াটেদের সঙ্গে পানির অংশীদারিত্ব করতে বাধ্য করছেন, কারণ বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট রয়েছে। কোথাও আবার আত্মীয়স্বজন, বিশেষ করে পুরুষ অতিথি আসার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কায় এসব শর্ত আরোপ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, গাজা নিয়ে ইসরায়েলের অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন সরকারের চাপের মুখে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়িসরায়েল কাটস তার আগের বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন। তিনি আগে বলেছিলেন, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা থেকে কখনো পুরোপুরি সরে যাবে না। তবে পরে তিনি জানান, গাজায় কোনো বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের নেই।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, মার্কিন কর্তৃপক্ষ এসব বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে ব্যাখ্যা দাবি করেছিল, কারণ তা যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত গাজা নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিবেচিত হচ্ছিল।