ইতিহাস সাক্ষী থাকবে: গাজার রক্ত আর উম্মাহর নীরবতা
ইতিহাস লিখে রাখবে—
মিসরের ছিল নীল নদীর অফুরন্ত জল, অথচ গাজা তৃষ্ণায় মারা গিয়েছিল।
ইতিহাস বলবে—
সৌদি আরব ও আমিরাতের তেলের ছিল বিশাল ভাণ্ডার,
তবু গাজার হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সে জ্বালানি দেওয়া যায়নি।
ইতিহাস মনে রাখবে—
উম্মাহর সেনা সংখ্যা ৫০ মিলিয়নের বেশি,
তবুও একটি সৈন্যও পাঠানো হয়নি, গাজায় গণহত্যা বন্ধ হয়নি।
ইতিহাস লিখবে—
বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে কনসার্ট আর ফ্যাশন ফেস্টে,
কিন্তু গাজায় ছিল না রুটি, ছিল না পানি।
ইতিহাস জানাবে—
তুরস্ক ইসলামের নামে প্রচার করেছে,
তবুও গাজা রক্ষায় তার কোনো বাস্তব পদক্ষেপ ছিল না।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে—
উম্মাহর কিছু সদস্য শাসকদের দোষারোপ করেছে,
কিন্তু নিজেরাই পেপসি-কোকা পান করা বন্ধ করেনি,
শত্রুর পণ্য বর্জন করেনি।
ইতিহাস লিপিবদ্ধ করবে—
পশ্চিমা (অধিকাংশ খ্রিস্টান) জনগণ রাস্তায় নেমেছিল গণহত্যার প্রতিবাদে,
কিন্তু বহু মুসলমান, এমনকি আলেমরাও ব্যস্ত ছিলেন ফতোয়া নিয়ে—
"এক নারী একটি বিড়ালের কারণে জাহান্নামে যাবে কিনা",
তারা ব্যস্ত ছিল না গাজার হাজারো শিশুর হত্যাকাণ্ড নিয়ে।
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না—
না শাসককে, না শাসিতকে।
কিয়ামতের দিন এই রক্তস্নাত ইতিহাসের জবাবদিহি হবে,
আর সেদিনই প্রকৃত বিজয়ী ও পরাজিত নির্ধারিত হবে।