আমডাঙ্গায় ‘প্রতিবেশীর অধিকার’ ২১ __৩০ নভেম্বর ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে ওরিয়েন্টেশন ক্যাম্প আয়োজন করলো।
কুদ্দুস আলি মোল্লা, আমডাঙ্গা | ১৬ নভেম্বর রবিবার ২০২৫
উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙ্গা খেলিয়া (ব্লক অফিস )প্রাঙ্গণে রবিবার জামাআতে ইসলামী হিন্দের উদ্যোগে “প্রতিবেশীর অধিকার” ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী এক ওরিয়েন্টেশন
প্রথম অধিবেশনের কনভেনর ছিলেন আবু হাসান। সূচনা বক্তব্যের আগে মাওলানা রফিকুল ইসলাম (জেলা নাজিম) তাযকির বিল কুরআন পেশ করেন।
ক্যাম্পেইনের উপর বিভিন্ন নোটস দিয়ে উদ্বুদ্ধ করেন এরপর জেলা তানজিমি ইনচার্জ রাকিবুল ইসলাম প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন। মুকামী আমীর মাওলানা আব্দুস সামাদ নাজিমের ইজতেমার কথা বলেন,
রাজ্য মিডিয়া সেক্রেটারি মোস্তফিজুর রহমান ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে মিডিয়াম সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা কিভাবে কাজে লাগাবো তার উপর সুন্দর উপস্থাপন করেন। ‘ক্যাম্পেইন সফল করতে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে মোট আটজন বক্তা অংশ নেন— মহঃ রাজুমনি, সফিকুল ইসলাম বাবলু, মাহবুব হক, জেলা তরবিয়তী ইনচার্জ মাওলানা ইসমাইল হক, জিআইওর রিফা রমালী, সহকারী জেলা নাজিমা মাহবুবা খাতুন এবং কামরুন নেছা।
পরিপূরক আলোচনায় সহকারী জেলা নাজিম মাওলানা আব্দুল আজীজ মোল্লা বক্তব্য রাখেন
তিনি বলেন সকলকে আমাদের পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে এবং বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে।। এরপর ডা. গোলাম হোসেন ‘অমুসলিম প্রতিবেশীর অধিকার’ বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
যোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর শুরু হয় দ্বিতীয় অধিবেশন, যার কনভেনর ছিলেন সাবির আহমেদ। তারানা পরিবেশন করেন আশাদুর রহমান। এরপর মাওলানা মহঃ ইসরাইল হাদীস আলোচনা করেন।
রাজ্য তানজিমি সেক্রেটারি সাদাব মাসুম ‘দেশীয় পরিস্থিতিতে প্রতিবেশীর অধিকার দানে সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক বক্তব্যে বলেন আমরা বিদেশে আমাদের বন্ধুরা কি খেয়েছে কি নাস্তা করে তার খবর রাখি কিন্তু পাশের বাড়ি তারা কি খেলো কি না তার খবর আমরা রাখতে পারি না , প্রতিবেশী মানে তার সুখ দুঃখের ভাগীদার হতে হবে।
সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক দায়বদ্ধতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
রাজ্য দাওয়া সেক্রেটারি নাসিম আলী ‘ক্যাম্পেইন সফল হওয়ার পিছনে বাধা ও উত্তরণের উপায়’ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।
সহকারী জেলা নাজিম ক্যাম্পেইন সম্পর্কিত জেলার পরিকল্পনা পেশ করেন। জেলা নাজিমের হেদায়াত ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সমাজে প্রতিবেশী–সম্পর্ক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা এবং সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।