পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অভিযান জোরদার, ধাক্কা ও ছুরিকাঘাতের দুটি হামলা। ৭ অক্টোবরের পর গ্রেফতার ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি
পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সামরিক উপস্থিতি ও টহল কার্যক্রম বাড়ার পর সাম্প্রতিক দিনে সহিংসতার মাত্রা আরও তীব্র হয়েছে। রামাল্লাহ ও হেবরনে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে ধাক্কা ও ছুরিকাঘাতের দুটি ঘটনা ঘটেছে, যা চলমান অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রামাল্লাহর কাছে এক ফিলিস্তিনি দুই ইসরায়েলি সেনার দিকে ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। সেনারা গুলি চালালে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় দুই সেনা হালকা আঘাত পান।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে হেবরনের দক্ষিণে ‘কিরিয়াত আরবা’ বসতির কাছে এক ফিলিস্তিনি গাড়ি দিয়ে এক নারী সেনাকে ধাক্কা দেন। তিনি পালানোর চেষ্টা করলে সেনারা ধাওয়া করে তাকে গুলি করে হত্যা করে।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানায়, পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বাড়ার জেরেই এ ধরনের প্রতিরোধমূলক হামলা বেড়েছে। গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া অভিযান সম্প্রসারিত করে সেনারা ক্বাবাতিয়া ও তুবাস এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং কারফিউ জারি করে।
এদিকে নাবলুসের পশ্চিমে জোয়াতা এলাকায় আটক ফিলিস্তিনি আবদুল করিম সানোবারের পারিবারিক বাড়ি ধ্বংস করা হয়। তুবাসের উত্তরে আকাবা এলাকায় বন্দি আইমান নাজেহ গনামের পরিবার-পরিজনের বাড়িও ভেঙে ফেলা হয়। পাশাপাশি বেথলেহেমের আল-ওয়ালাজা এলাকায় দুটি আবাসিক ইউনিট ধ্বংস করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার বিষয়ক সংগঠন ‘নাদি আল-আসির’ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমসহ দখলকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী মোট ২১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে।