পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মৌলিক অধিকারের দাবিতে তীব্র বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ২
অবৈধ ভাবে দখলে থাকা কাশ্মীরই এখন পাকিস্তানের গলার কাঁটা। মৌলিক অধিকার ও উন্নয়নবঞ্চনার প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-এর বিভিন্ন শহরে। সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনকে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কী ঘটছে পিওকে-তে?
নিহত ও আহত: পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত দু’জনের মৃত্যু, বহু আহত।
বিক্ষোভের নেতৃত্ব: স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলির যৌথ প্ল্যাটফর্ম আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (AAC)। তারা অনির্দিষ্টকালের বন্ধের ডাক দিয়েছে।
অংশগ্রহণকারী শহরগুলি: রাওয়ালকোট, মিরপুর, কোটলি, নীলম ভ্যালি-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ।
দাবি: মোট ৩৮ দফা দাবি। এর মধ্যে রয়েছে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা, শাসনতান্ত্রিক সংস্কার, আইনসভায় শরণার্থীদের জন্য বরাদ্দ আসন প্রত্যাহার, সস্তায় আটা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ইত্যাদি।
ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পাকিস্তান প্রশাসন পিওকে-তে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনা মোতায়েন করেছে। মোবাইল, ইন্টারনেট আংশিকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, শান্তি বজায় রাখাই তাদের লক্ষ্য, তবে অশান্তি ছড়ালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য
আন্দোলনকারীরা বলছেন, ৭০ বছর ধরে তারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমাদের লড়াই কোনও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নয়, আমরা শুধু অধিকার চাই।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিক্ষোভ পাকিস্তানের জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপে পরিণত হতে পারে।