নেপালে দুর্নীতি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানকে ঘিরে রণক্ষেত্র!
বিশেষ প্রতিবেদন : নেপালে দুর্নীতি ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানকে ঘিরে রণক্ষেত্র!
সংসদ ভবনের গেটে আগুন, কারফিউ, গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৯
নেপাল জুড়ে ভয়াবহ অস্থিরতা। দুর্নীতি ও সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের প্রতিবাদে তরুণরা রাজধানী কাঠমাণ্ডুর সংসদ ভবন ঘেরাও করেন। কিছুক্ষণ আগেই পার্লামেন্টের একটি গেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কারফিউ জারি করেছে। গুলির খবর পাওয়া যাচ্ছে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯।
গত কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বাড়ছিল, আজ তা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ— বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি চরমে উঠেছে। “নেপো বেবি” শব্দটি জনপ্রিয় হয়েছে, কারণ শাসক নেতাদের ছেলেমেয়েরা বিলাসবহুল জীবনযাপনে মত্ত। তার জেরে ক্ষোভ বাড়তেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ফলে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে এসেছে।
আন্দোলনের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব না থাকলেও কাঠমাণ্ডুর মেয়র ও জনপ্রিয় গায়ক বালেন্দ্র শাহ (বালেন) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও মাওবাদী নেতা প্রচণ্ড এবং কমিউনিস্ট পার্টি নেতা নেত্র বিক্রম চাঁদ (বিপ্লব) আন্দোলনকারীদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন। ইউনিফায়েড সোশ্যালিস্ট নেতা মাধব নেপালও সমর্থন করেছেন।
বামপন্থী যুব সংগঠনগুলির পাশাপাশি রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে দক্ষিণপন্থীরাও আন্দোলনে সক্রিয়। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। আগামী কয়েকদিনের দিকেই তাকিয়ে আছে নেপালবাসী।