গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনী নিয়ে মতামত দেবে ইসরায়েল: নেতানিয়াহু
তেল আভিভ: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু রবিবার বলেছেন, “ইসরায়েল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে তার নিরাপত্তা নীতি নির্ধারণ করবে এবং গাজা উপত্যকায় কোন কোন আন্তর্জাতিক বাহিনী কাজ করতে পারবে তা সে নিজেই ঠিক করবে।”
মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা আমাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের হাতে রাখি। আমরা আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে স্পষ্ট করে জানিয়েছি যে, ইসরায়েল সিদ্ধান্ত নেবে কোন বাহিনী আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আমরা অতীতেও এভাবেই কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও করব।”
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু আরও জানান যে, যুক্তরাষ্ট্রও এই অবস্থানকে সমর্থন করেছে। আমেরিকার শীর্ষ কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক দিনগুলোতে এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন।
আমেরিকার মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, গাজায় মূলত আরব ও মুসলিম দেশগুলির সৈন্যদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার বলেন, “ইসরায়েলের স্বাচ্ছন্দ্য থাকা উচিত সেই দেশগুলির সঙ্গে যারা গাজায় এই আন্তর্জাতিক বাহিনীতে অংশ নেবে।” দক্ষিণ ইসরায়েলের কিরিয়াত গাতে সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “বেশ কয়েকটি দেশ অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু ইসরায়েলের সঙ্গে এ বিষয়ে তাদের বোঝাপড়া থাকা জরুরি।”
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপগুলোতে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, আন্তর্জাতিক বাহিনীর মোতায়েন ও গাজা পুনর্গঠনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।