গাজার জনগণ নিজেদের ভূমি ছাড়তে চান না, কাউকেই জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই: কাতার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি বলেছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি দোহারের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, গাজায় অন্যদের সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের পুনর্গঠনে কাতার অর্থায়ন করবে না—ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ইসরায়েলি হামলায় গত দুই বছরেরও বেশি সময়ে গাজা চরমভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।
রবিবার দোহা ফোরামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, গাজার মানুষ নিজেদের ভূমি ছেড়ে যেতে চান না এবং তাদের জোর করে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার কোনো পক্ষের নেই। তিনি সতর্ক করেন, ইসরায়েলি সেনারা গাজায় অবস্থান বজায় রাখলে এবং বিভিন্ন লঙ্ঘন অব্যাহত থাকলে সহিংসতা আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে।
ফিলিস্তিন সংকটে কোনো বাস্তবসম্মত সমাধান না থাকলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই একমাত্র কার্যকর পথ, এবং অঞ্চলকে ফিলিস্তিনিদের “জাতিগত নির্মূলের লক্ষ্যবাহী উগ্র এজেন্ডা”র কাছে বন্দি রাখা উচিত নয়।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, এই সংকট সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বর্তমানে অনুপস্থিত। ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ পুরো অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা এই সংকট সমাধানে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।