চুল পড়া একটি ধীর প্রক্রিয়া, যা মাস কিংবা বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে ঘটে
কুমড়ার বীজের তেল এখন প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া রোধের সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তেল উপকারী হতে পারে, তবে যাদের অ্যালার্জি বা ত্বকের নির্দিষ্ট রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে।
রাটগার্স হেলথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. সিন্ডি ওয়াসেফ বলেন,
> “গবেষণায় দেখা গেছে, কুমড়ার বীজের তেল শুধু চুল পড়া কমায় না, বরং চুলের নতুন বৃদ্ধি ঘটাতেও সহায়তা করে।”
এই তেল DHT (ডাইহাইড্রোটেস্টোস্টেরন) নামের হরমোনের মাত্রা কমিয়ে চুলের ফলিকলকে মজবুত রাখে—ফলে চুল পড়া রোধ হয়।
ওয়েইল কর্নেল মেডিসিনের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. শ্যারি লিবনার জানান,
> “ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ ও লিনোলিক অ্যাসিডে সমৃদ্ধ এই তেল প্রদাহরোধী ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে চুলের স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে।”
৭৬ জন পুরুষের ওপর পরিচালিত এক পরীক্ষায় দেখা যায়—যারা কুমড়ার বীজের তেলের ক্যাপসুল নিয়েছিলেন, তাদের চুলের বৃদ্ধি প্লাসিবো গ্রুপের তুলনায় বেশি ছিল। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই চিকিৎসা এখনো অনুমোদিত পদ্ধতির বিকল্প নয়।”
ড. ড্যানিয়েল ডুবিন সতর্ক করেন,
> “যাদের সেবোরিয়িক ডার্মাটাইটিস, একজিমা বা সোরিয়াসিস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই তেল উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, হালকা চুল পড়ার ক্ষেত্রে কুমড়ার বীজের তেল উপকারী হতে পারে, কিন্তু মারাত্মক চুল পড়ায় মিনোক্সিডিল বা চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধই বেশি কার্যকর।
ছবি: রয়টার্স।