গাজা নিয়ে তীব্র সংঘাত: ইসরাইল বনাম ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধের ছায়া
বিশেষ প্রতিবেদন | অনলাইন বঙ্গদর্পণ
ইসরাইল–ফিলিস্তিন যুদ্ধ নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজা উপত্যকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং অঞ্চলটিতে সেনা মোতায়েন করেছেন। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর বাহিনী ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। পাশাপাশি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে ইরান, যাকে বলা হয় মুসলিম বিশ্বের ‘সুপার পাওয়ার’।
যুদ্ধের নতুন মাত্রা
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সংঘাতে এমন সব অস্ত্র ব্যবহৃত হতে পারে, যা এতদিন মাঠে নামানো হয়নি। তেল আভিভ বা ইয়াফার উপর বড়সড় হামলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না—যা অনেককে আবারও ৭ অক্টোবরের হামলার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
ইরানের অবস্থান
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই জানিয়ে দিয়েছেন—তাদের অভিধানে আত্মসমর্পণ শব্দ নেই। ইসরাইল কিংবা আমেরিকার আক্রমণ প্রতিরোধে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন এয়ারবেসগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে, কারণ সেগুলো থেকেই বহু হামলা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া
চীন, রাশিয়া ও তুরস্ক ইরানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র ইসরাইল–আমেরিকার বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ করতে পারছে না রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে। এর মধ্যে সৌদি আরবের অবস্থান সবচেয়ে বেশি সমালোচিত। বিশ্লেষকদের মতে, রাজতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সৌদি আরব আপস করছে, যা ভবিষ্যতে দেশটির রাজনৈতিক কাঠামো পরিবর্তনের কারণ হতে পারে।