পুজোর পরে শিক্ষক নিয়োগের ফল, নভেম্বরে প্রকাশ হবে ইন্টারভিউ প্যানেল: শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু
কলকাতা, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ — পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে দুর্গাপুজোর পরে। আগামী নভেম্বরে প্রকাশিত হবে ইন্টারভিউ প্যানেল। রবিবার একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এই ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে জানান, “সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে। খুব শিগগির প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে। পরীক্ষার্থীরা পাঁচ দিনের মধ্যে মতামত জানাতে পারবেন। তার পর নম্বর বিভাজন-সহ কারা ইন্টারভিউ দিতে পারবেন, তা প্রকাশ করা হবে।”
ব্রাত্য বসু বলেন, দু’ বছর নানা ঘাত-প্রতিঘাতের পরে অবশেষে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হল। এ বছর মোট ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার প্রার্থী পরীক্ষায় বসেছেন। এর মধ্যে ২,৯৩,১৯২ জন নবম-দশম শ্রেণির জন্য এবং ২,২৯,৪৯৭ জন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দিয়েছেন।
এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়েছেন, নবম-দশম শ্রেণির উত্তরপত্র আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র প্রকাশিত হতে পারে ২০ সেপ্টেম্বর। গত ৭ সেপ্টেম্বর ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
রবিবার শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বার পরীক্ষায় ৩১ হাজার প্রার্থী এসেছেন অন্য রাজ্য থেকে। তাঁদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ব্রাত্যর দাবি, “এই রাজ্যগুলিতে কর্মসংস্থানের অভাব। বেকারত্ব বাড়ায় সেখানকার প্রার্থীরাও বাংলায় পরীক্ষা দিতে আসতে বাধ্য হয়েছেন।”
প্রার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কেউ প্রশ্নপত্রকে সহজ বলেছেন, কেউ তুলনামূলক কঠিন বলে মনে করেছেন। নিউটাউনের পরীক্ষার্থী অভিজিৎ ভক্ত বলেন, “প্রশ্ন ভালো হয়েছে। ৫৫ নম্বর পাব বলে আশা করছি। চাকরি বাতিল হওয়ার পরে আন্দোলনের কারণে আমরা আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেলাম।” অপর এক পরীক্ষার্থী স্মিতা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “নবম-দশমের তুলনায় একাদশ-দ্বাদশের প্রশ্ন কিছুটা কঠিন হয়েছে।”
উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ থেকে আসা পরীক্ষার্থী মিতা যাদব বলেন, “আমাদের রাজ্যে বহু শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু গত ৩-৪ বছর কোনও পরীক্ষা হয়নি। তাই পশ্চিমবঙ্গে পরীক্ষা দিতে এসেছি।”
এসএসসি আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, রবিবারের পরীক্ষাগুলি নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিকাশ ভবনে চেয়ারম্যান আলাদা রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর, সেই রিপোর্ট নবান্নে পাঠানো হবে।
👉 চাইলে আমি এটাকে আবারও ছোট করে সংবাদপত্রের শিরোনাম + উপশিরোনাম আকারে সাজিয়ে দিতে পারি। সেটা কি করবেন?