জাতিসংঘে কাতার হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া
বঙ্গ দর্পণ অনলাইন ডেস্ক: কাতারের রাজধানী দোহায় সম্প্রতি চালানো বিমান হামলার ঘটনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নিন্দা জানিয়েছে। তবে পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের সম্মতিতে গৃহীত ওই বিবৃতিতে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের খসড়ায় গৃহীত বিবৃতিতে বলা হয়, “কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পরিষদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনে সব পক্ষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।” একই সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মিদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়। জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি নির্মাণ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লো বলেন, দোহায় ইসরায়েলের এই বিমান হামলা ছিল “বিশ্বকে হতবাক করা গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি।” তিনি কাতারকে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। হামলায় ‘হামাস’-এর পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে, যার মধ্যে ছিলেন খলিল আল-হাইয়্যার ছেলে। কাতার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা সদস্যও ছিলেন। বৃহস্পতিবার দোহায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি অংশ নেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার ঘটনায় বিরল সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর। মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে “একতরফা ও অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছেন, যা শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে। আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, ইসরায়েল আইনকে উপেক্ষা করছে এবং এ ধরনের হামলা “কূটনীতি ও মধ্যস্থতার ওপর আঘাত।” এদিকে, ওয়াশিংটনে ‘সিএনএন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি জানিয়েছেন, দোহায় আগামী সপ্তাহে জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর লক্ষ্য হবে “ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান” গড়ে তোলা। বিশ্লেষকরা বলছেন, হামলার পর কাতার ও মিসর উভয়েই গাজা যুদ্ধের মধ্যস্থতায় আরও সক্রিয় হচ্ছে। মিসর ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, এরকম কোনো হামলা তার ভূখণ্ডে হলে “গুরুতর পরিণতি” হবে। পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দোহায় ইসরায়েলি হামলা শুধু কাতারের সার্বভৌমত্বেই আঘাত নয়, বরং দীর্ঘদিনের শান্তি প্রচেষ্টার ওপরও বড় ধাক্কা।জাতিসংঘে কাতার হামলা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া বঙ্গ দর্পণ অনলাইন ডেস্ক: কাতারের রাজধানী দোহায় সম্প্রতি চালানো বিমান হামলার ঘটনায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ নিন্দা জানিয়েছে। তবে পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের সম্মতিতে গৃহীত ওই বিবৃতিতে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের খসড়ায় গৃহীত বিবৃতিতে বলা হয়, “কাতারের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পরিষদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনে সব পক্ষকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।” একই সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মিদের মুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়। জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি নির্মাণ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রোজমেরি ডিকার্লো বলেন, দোহায় ইসরায়েলের এই বিমান হামলা ছিল “বিশ্বকে হতবাক করা গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি।” তিনি কাতারকে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। হামলায় ‘হামাস’-এর পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে, যার মধ্যে ছিলেন খলিল আল-হাইয়্যার ছেলে। কাতার জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন নিরাপত্তা সদস্যও ছিলেন। বৃহস্পতিবার দোহায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি অংশ নেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার ঘটনায় বিরল সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর। মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে “একতরফা ও অপ্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছেন, যা শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে। আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত নিরাপত্তা পরিষদে বলেন, ইসরায়েল আইনকে উপেক্ষা করছে এবং এ ধরনের হামলা “কূটনীতি ও মধ্যস্থতার ওপর আঘাত।” এদিকে, ওয়াশিংটনে ‘সিএনএন’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি জানিয়েছেন, দোহায় আগামী সপ্তাহে জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর লক্ষ্য হবে “ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান” গড়ে তোলা। বিশ্লেষকরা বলছেন, হামলার পর কাতার ও মিসর উভয়েই গাজা যুদ্ধের মধ্যস্থতায় আরও সক্রিয় হচ্ছে। মিসর ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানিয়েছে, এরকম কোনো হামলা তার ভূখণ্ডে হলে “গুরুতর পরিণতি” হবে। পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দোহায় ইসরায়েলি হামলা শুধু কাতারের সার্বভৌমত্বেই আঘাত নয়, বরং দীর্ঘদিনের শান্তি প্রচেষ্টার ওপরও বড় ধাক্কা