সততা ও প্রশাসনিক দক্ষতার প্রতীক এম. কে. স্টালিন
চেন্নাই, ২৪ সেপ্টেম্বর — দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী এম. কে. স্টালিনকে নিয়ে মানুষের মাঝে এক বিশেষ আস্থা ও শ্রদ্ধার আবহ বিরাজ করছে। শিক্ষা ও প্রশাসনিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ এই রাজ্য দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম অগ্রসর রাজ্য হিসেবে পরিচিত। আর এই ধারাবাহিকতায় মুখ্যমন্ত্রী স্টালিনের ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত।
রাজনৈতিক মহলের মতে, স্টালিন রাজনীতিকে কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থের জায়গা বানাননি। রাজকোষ থেকে অবৈধ অর্থ আত্মসাত, কর্পোরেট সংস্থার সাথে অস্বচ্ছ চুক্তি কিংবা ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়ানোর অভিযোগ—এসব থেকে তিনি দূরে থেকেছেন। বরং তিনি প্রশাসনকে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ রাখার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন।
অনেকের মতে, স্টালিনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর সততা ও দায়িত্ববোধ। তিনি রাজনীতিকে কোনো মঞ্চনাটক বা ভণ্ডামির আসর বানাননি। কোনো ধর্মীয় মন্ত্র পাঠের প্রদর্শনী, বিজ্ঞানী সাজার ভান বা অতীতের অতিরঞ্জিত গল্প দিয়ে জনসমর্থন পাওয়ার চেষ্টা তিনি করেননি।
তামিলনাড়ুর জনগণ, যাদের মধ্যে উচ্চশিক্ষিতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য, তাঁকে এক জনমুখী নেতা হিসেবেই চেনে। তাঁর হিন্দু ভোট হারাবার ভয় নেই বলেই মন্তব্য করেন বিশ্লেষকেরা। দক্ষিণ ভারতের মানুষ ধর্ম ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বাইরে গিয়ে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।ইচ্ছা করলে এড়িয়ে যেতে পারত। চাপ প্রয়োগ করার মতো কেউ ছিল না। তারপরে, মধ্য প্রাচ্যের মুহাম্মাদ সাঃ কে নিয়ে এলেন পাঠ্যসূচি তে। কিসের দায়ে ?কেবল মানবিক ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ের দাবিতে।
বিশ্লেষকরা আরও বলেন, স্টালিন কোনো দিন 'চা বিক্রেতা' পরিচয়ের প্রতীকী নাটক সাজাননি, কিংবা রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার জন্য ভিক্ষুকদের সামনে কৃত্রিম সহানুভূতির প্রদর্শন করেননি। রাজনীতি ও প্রশাসনকে তিনি সর্বদা দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত রেখেছেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের ভাষায়, "স্টালিন হচ্ছেন সেই নেতা, যিনি রাজ্যের দায়িত্ব পালনে দায়বদ্ধ। প্রশাসন বোঝেন এবং একে সঠিকভাবে পরিচালনা করেন।"
তামিলনাড়ুর জনগণের কাছে এম. কে. স্টালিন আজ সততা, দক্ষতা ও বাস্তববাদী রাজনীতির প্রতীক হয়ে উঠেছেন।মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম কে পাঠ্যসূচি তে স্থান দেওয়ার কারনে স্থান করে নিলেন সমস্ত ইসলাম প্রিয় জনগণের হৃদয়ে।