গাজায় দুই বছরের যুদ্ধ: ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত প্রধান ঘটনাগুলোর সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা
গাজা, ৬ অক্টোবর ২০২৫ (বঙ্গদর্পণ সংবাদ):
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলবিরোধী আকস্মিক হামলার পর থেকে শুরু হওয়া গাজার যুদ্ধ দুই বছর পূর্ণ করেছে। সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত অঞ্চলটি একের পর এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, মানবিক বিপর্যয় ও রাজনৈতিক উত্থান–পতনের সাক্ষী হয়েছে।
নিচে গত দুই বছরের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো —
৭ অক্টোবর ২০২৩: হামাসের সশস্ত্র যোদ্ধারা দক্ষিণ ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায়। তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রবেশ করে শত শত ইসরায়েলিকে হত্যা ও অপহরণ করে।
৮ অক্টোবর ২০২৩: পরদিন ইসরায়েল যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং গাজায় ব্যাপক বিমান ও আর্টিলারি হামলা শুরু করে, যা পরবর্তীতে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়।
৮ অক্টোবর ২০২৩: লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে।
১৩ নভেম্বর ২০২৩: ইসরায়েলি সেনারা গাজা শহর খালি করার নির্দেশ দেয়, স্থল অভিযান শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর।
২১ নভেম্বর ২০২৩: সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ও ১০৬ জন বন্দি মুক্তি।
৪ ডিসেম্বর ২০২৩: ইসরায়েল দক্ষিণ গাজায় পূর্ণাঙ্গ স্থল অভিযান শুরু করে।
২৬ জানুয়ারি ২০২৪: আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা রোধে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেয়।
২৫ জুন ২০২৪: জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে গাজায় দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করা হয়।
২ জুলাই ২০২৪: ইসরায়েল রাফাহ ও খান ইউনুস থেকে জনগণ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
১৩ জুলাই ২০২৪: হামাসের সামরিক শাখার নেতা মোহাম্মদ দেইফ নিহত হন।
৩১ জুলাই ২০২৪: হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন।
১৬ অক্টোবর ২০২৪: রাফাহে সংঘর্ষে হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত।
২১ নভেম্বর ২০২৪: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ট ও মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
১৫ জানুয়ারি ২০২৫: গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং বন্দিমুক্তি।
১ মার্চ ২০২৫: যুদ্ধবিরতি শেষ, ইসরায়েল মানবিক সাহায্য প্রবেশে বাধা দেয়।
২২ আগস্ট ২০২৫: জাতিসংঘ জানায়, গাজার ২৫ শতাংশ মানুষ (প্রায় ৫ লাখ ১৪ হাজার) দুর্ভিক্ষে ভুগছে।
৩ অক্টোবর ২০২৫: হামাস আংশিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তিতে সম্মতি জানায়।