আন্দোলনের নামছে আন-এডেড মাদ্রাসা শিক্ষকবৃন্দ
নিজস্ব প্রতিবেদন -বঙ্গদর্পণ :
পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত ৩৩৮-মাদ্রাসার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল, অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে এখনো বেশ কিছু মাদ্রাসা । মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ৬৮০ টি মাদ্রাসা অনুমোদনের জন্য । ইতিমধ্যেই আরো বেশ কিছু মাদ্রাসার অনুমোদনের জন্য মাদ্রাসার শিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক হেয়ারিং চলছে ধারাবাহিকভাবে । কিন্তু মাদ্রাসাগুলির সরকারি অনুমোদন মিললেও অধরা রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষা-কর্মীদের সাম্মানিক সহ ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে-মিল,ড্রেস,বই,খাতা,ব্যাগ,জুতা সহ একাধিক বিষয় ।এবিষয়ে আগামী ১৩ অক্টোবর বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে সল্টলেকের বিকাশ ভবনে ডাইরেক্টর অফ মাদ্রাসায় এডুকেশন-এর কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন-এইডেড মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ । তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানা গেছে গত বছরের শেষের দিক থেকে চলতি বছরের প্রথম দিক পর্যন্ত ৩৩৮ টি মাদ্রাসা অনুমোদন পেলেও বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে এখনো । সমস্যাগুলির সমাধানের লক্ষ্যে গত ৮-তারিখে ডাইরেক্টর অফ মাদ্রাসা এডুকেশন (ডি এম ই)- এর সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমূহ অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি বা ইতিবাচক কোন প্রতিক্রিয়া তার কাছ থেকে পাওয়া না যাওয়ায় সংগঠনের সদস্যবৃন্দ আগামী ১৩-ই অক্টোবর বৃহত্তর ভাবে ডেপুটেশন কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে । তাদের বক্তব্য যদি সরকার পক্ষ কোন সদার্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে প্রয়োজনে তারা অনশন করতে বাধ্য হবেন ।
সংগঠনের সম্পাদক জামাল উদ্দিন আহমেদ এবং সভাপতি মোঃ জারিফুল ইসলাম সহ একাধিক নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধির থেকে জানা গেছে শিক্ষক,শিক্ষিকা ও শিক্ষা-কর্মীদের সম্মানিক প্রদান সহ ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা না মেলায় প্রতিষ্ঠানগুলি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে । তাদের আরো অভিযোগ অধিকাংশ মাদ্রাসায় এখনো স্থায়ীভাবে কোন পরিকাঠামো নেই অথচ প্রতিবছর সংখ্যালঘু উন্নয়নের খাতে রাজ্যের জন্য প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও তার সঠিক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে না ।