চিন–পাকিস্তান সামরিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ভারতের প্রতি সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা দ্রুত বাড়ছে—এই মর্মে ভারতকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই রিপোর্টটি মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যে সামরিক তথ্য আদান–প্রদান, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং কৌশলগত সমন্বয় আগের তুলনায় অনেক বেশি গভীর হয়েছে। এতে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
পেন্টাগনের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, আগামী কয়েক বছরে চিনের কৌশলগত লক্ষ্যগুলির মধ্যে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। অর্থাৎ, এই অঞ্চলকে ঘিরে বেজিংয়ের আগ্রহ ও চাপ ভবিষ্যতে বাড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
প্রসঙ্গত, লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ২০২০ সালের সংঘর্ষের পরে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ২০২৪ সালে ভারত ও চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার দু’পাশ থেকে সেনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তার পরেও দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস পুরোপুরি কাটেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চিন ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান সামরিক ঘনিষ্ঠতা ভারতের জন্য কৌশলগত দিক থেকে উদ্বেগের বিষয়। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের রিপোর্ট দিল্লির কাছে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আগামী দিনে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়তে পারে।