মানবাধিকার লঙ্ঘনে নীরব থাকবে না ভ্যাটিকান: পোপ লিও চতুর্দশ
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভ্যাটিকান আর নীরব দর্শকের মতো থাকবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পোপ লিও চতুর্দশ। শনিবার ভ্যাটিকানে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন।
মে মাসে পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর পর ক্যাথলিক চার্চের নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক পোপ লিও। মানবাধিকার ইস্যুতে এটি এখন পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
পোপ বলেন,
“বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, অবিচার ও মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামনে ভ্যাটিকান আর চুপ করে থাকতে পারে না।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘হোলি সি’-র কূটনীতি সবসময়ই মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। বিশেষ করে দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপনকারী এবং সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে কথা বলাই চার্চের নৈতিক দায়িত্ব।
মানবিক সমতা ও অভিবাসীবান্ধব অবস্থানের ওপর জোর দিয়ে পোপ লিও যথার্থভাবেই তাঁর পূর্বসূরি পোপ ফ্রান্সিসের নীতি অনুসরণ করছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি অতীতে যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সময়ে অভিবাসীদের ‘অমানবিক আচরণ’-এর সমালোচনা করেছিলেন।
শনিবার ভ্যাটিকানে পরিচয়পত্র গ্রহণ করা ১৩ জন নতুন রাষ্ট্রদূত এসেছেন—
উজবেকিস্তান, মলদোভা, বাহরাইন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, লাইবেরিয়া, থাইল্যান্ড, লেসোথো, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফিজি, মাইক্রোনেশিয়া, লাতভিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে।