তেলের ট্যাংকার জব্দকে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলছে ভেনেজুয়েলা, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ
ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে একটি তেলের ট্যাংকার জব্দ করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে কারাকাস। বুধবার হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্যাংকারটি আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপরই ভেনেজুয়েলা এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘আন্তর্জাতিক জলদস্যুতা’ বলে আখ্যা দেয়।
সরকারি বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, ক্ষতিপূরণ না দিয়েই ভেনেজুয়েলার জ্বালানি সম্পদ দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বক্তব্য, এই ঘটনাই প্রমাণ করে—ভেনেজুয়েলার সম্পদ লুটের জন্য ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরে আগ্রাসী নীতি অনুসরণ করছে।
ভেনেজুয়েলা দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার, গণতন্ত্র রক্ষা বা অভিবাসন-সংকট নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও প্রকৃত লক্ষ্য হচ্ছে লাতিন আমেরিকার এই দেশের তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। তাদের ভাষায়, “এটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ক্ষমতার অপব্যবহারের স্পষ্ট উদাহরণ।”
কারাকাস আরও জানিয়েছে, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানো হবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।
অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ভেনেজুয়েলা উপকূলে আটক করা ট্যাংকারটি এখন পর্যন্ত জব্দ হওয়া সবচেয়ে বড় ট্যাংকার। তিনি ইঙ্গিত দেন, “আরো কিছু ঘটনা ঘটছে,” তবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা।
ছবি: সংগৃহীত