ডব্লিউএইচওর সতর্কতা: গাজায় চিকিৎসার অপেক্ষায় প্রাণ হারিয়েছেন হাজারের বেশি রোগী
তেদরস জানান, চিকিৎসার জন্য গাজার বাইরে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় থাকা রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা বাস্তবে আরও বেশি হতে পারে। তিনি গাজার রোগীদের পাশাপাশি পূর্ব জেরুসালেম ও পশ্চিম তীরের রোগীদের চিকিৎসার জন্য অন্যান্য দেশগুলোর সীমান্ত খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁর কথায়, মানুষের জীবন বাঁচানোই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
এদিকে, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচওর মুখপাত্র তারিক ইয়াসারেভিচ জানান, বর্তমানে গাজায় চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকা রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৮,৫০০। এর মধ্যে চার হাজারের মতো শিশু রয়েছে। তিনি বলেন, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে সময়ের অভাবে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে উঠছে।
অন্যদিকে, গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার একটি বড় বাজেট পরিকল্পনা তৈরি করেছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র মোট ব্যয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বহন করবে এবং পুরো পরিকল্পনা সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ বছর সময় ধরা হয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও হামলা বন্ধ হয়নি। গাজা শহর ও খান ইউনুস এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর গোলাবর্ষণে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে।
গাজার পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ইসরাইলি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর ও স্থাপনায় তল্লাশি ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সামগ্রিকভাবে চলমান সংঘাতে গাজা ও আশপাশের অঞ্চলে মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত