নবীপ্রদত্ত তিন নীতি ভুলে মুসলিম সমাজের অবনতি: জেগে উঠতে হলে চাই শিক্ষা, আত্মনির্ভরতা ও ঐক্য
নিজস্ব প্রতিবেদন:
ইসলামের মহাপুরুষ, নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর উম্মতের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য অগণিত দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তিনটি মূলনীতি হলো—
১️ শিক্ষা গ্রহণ,
২️ ব্যবসা-বৃত্তির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা,
৩️ পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ব।
দুঃখজনকভাবে, বর্তমান মুসলিম সমাজের বড় একটি অংশ এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে অবহেলা করেছে। এর ফলেই বহু মুসলিম জনগোষ্ঠী বিশ্বের নানা প্রান্তে পিছিয়ে পড়ছে—অর্থনৈতিকভাবে, শিক্ষায়, এমনকি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবেও।
অন্যদিকে, ইহুদি সম্প্রদায় ঠিক এই তিনটি নীতিকে বাস্তব জীবনে সফলভাবে প্রয়োগ করেছে। তারা শিক্ষাকে জীবনের কেন্দ্রে এনেছে, শিশুকাল থেকেই আধুনিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণাকে গুরুত্ব দিয়েছে। ফলস্বরূপ, বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ইহুদি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের আধিপত্য স্পষ্ট।
ব্যবসা-বৃত্তিকে তারা শক্তিতে রূপান্তর করেছে। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং, বাণিজ্য ও মিডিয়াতে তাদের প্রভাব বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত। সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সহায়তা—বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ইহুদিরা একে অপরকে সহযোগিতা করে, একটি সুসংগঠিত সমাজ হিসেবে টিকে থাকে এবং নেতৃত্বে উঠে আসে।
এর বিপরীতে, মুসলিম সমাজ আজ অশিক্ষা, বেকারত্ব, ভাগাভাগি এবং সহযোগিতার অভাবে ভুগছে। এই বিভাজনই তাদের দুর্বল করে তুলছে।
সমাধান একটাই: নবী (সা.)-এর প্রদর্শিত শিক্ষার পথে ফিরে যাওয়া। যদি মুসলিম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে শিক্ষা, ব্যবসা ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে তারা আবারও সম্মান ও নেতৃত্ব ফিরে পেতে পারে।